ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :

পাখি ধরার সরঞ্জামসহ শিকারির বাড়ি থেকে তিনটি পাখি উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪ ৬৫ বার পড়া হয়েছে
 মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৫ নং কালাপুর ইউনিয়নের লামুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক পাখিশিকারির বাড়ি থেকে তিনটি পাখি উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। এ সময় পাখি ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং, সকালে উপজেলার লামুয়া এলাকায় এই অভিযান চালান বন বিভাগের লোকজন।
অভিযানে লামুয়া এলাকার পাখিশিকারি মোঃ হারিছ মিয়ার বাড়ি থেকে একটি শালিক, বক ও ঘুঘু উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় মোঃ হারিছ মিয়া বাড়িতে ছিলেন না।
বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, তাঁদের যাওয়ার খবর পেয়ে পাখিশিকারিরা পালিয়ে যান  পরে এলাকার লোকজনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে পাখিশিকারি মোঃ হারিছ মিয়ার বাড়ি থেকে তিনটি পাখি (শালিক, ঘুঘু ও বক) উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় পাখির খাঁচা এবং হারিছের বাড়ি থেকে একটু দূরের ঝোপঝাড় থেকে পাখি ধরার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন|
এই অঞ্চলে শীতের সময় পাখির আনাগোনা বেড়ে যাওয়া শিকারিরা জাল ও ফাঁদ পেতে পাখি ধরার পাশপাশি আরো কিছু নির্মম পদ্ধতিতে পাখি ধরে শিকারিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাখি ধরার সরঞ্জামসহ শিকারির বাড়ি থেকে তিনটি পাখি উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৫:১৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪
 মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৫ নং কালাপুর ইউনিয়নের লামুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক পাখিশিকারির বাড়ি থেকে তিনটি পাখি উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। এ সময় পাখি ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং, সকালে উপজেলার লামুয়া এলাকায় এই অভিযান চালান বন বিভাগের লোকজন।
অভিযানে লামুয়া এলাকার পাখিশিকারি মোঃ হারিছ মিয়ার বাড়ি থেকে একটি শালিক, বক ও ঘুঘু উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় মোঃ হারিছ মিয়া বাড়িতে ছিলেন না।
বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, তাঁদের যাওয়ার খবর পেয়ে পাখিশিকারিরা পালিয়ে যান  পরে এলাকার লোকজনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে পাখিশিকারি মোঃ হারিছ মিয়ার বাড়ি থেকে তিনটি পাখি (শালিক, ঘুঘু ও বক) উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় পাখির খাঁচা এবং হারিছের বাড়ি থেকে একটু দূরের ঝোপঝাড় থেকে পাখি ধরার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন|
এই অঞ্চলে শীতের সময় পাখির আনাগোনা বেড়ে যাওয়া শিকারিরা জাল ও ফাঁদ পেতে পাখি ধরার পাশপাশি আরো কিছু নির্মম পদ্ধতিতে পাখি ধরে শিকারিরা।