ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ১৭/১২/২৩ সরকার প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও জনগনের ভোট ডাকাতির পাঁয়তারা করছে- বাম গণতান্ত্রিক জোট, চট্টগ্রাম জেলা 

বার্তা প্রেরক  মিরাজ উদ্দিন 
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৫:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ৭৬ বার পড়া হয়েছে
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১৭/১২/২৩
সরকার প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও জনগনের ভোট ডাকাতির পাঁয়তারা করছে-
বাম গণতান্ত্রিক জোট, চট্টগ্রাম জেলা
বাম গণতান্ত্রিক জোট, চট্টগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে অবৈধ ও একতরফা নির্বাচন বাতিল, তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচনের  দাবিতে বিকেল ৪টায় নগরীর সিনেমা প্যালস  চত্বরে সমাবেশ  অনুষ্ঠিত হয়।
বাম গণতান্ত্রিক জোট চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়ক ও বাসদ চট্টগ্রাম জেলা ইনচার্জ আল কাদেরী জয়ের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি অশোক সাহা, বাসদ(মার্কসবাদী)  চট্টগ্রাম জেলার সদস্য সচিব শফিউদ্দিন কবির আবিদ, সিপিবি চট্টগ্রাম  দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক সওকত হোসেন । সমাবেশ পরিচালনা করেন বাসদ চট্টগ্রাম জেলা সদস্য আহমদ জসীম ।  সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড মৃণাল চৌধুরী, সিপিবি চট্টগ্রাম জেলার সহকারী সাধারণ সম্পাদক  নুরচ্ছফা ভূঁইয়া।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, চরম ফ্যাসিবাদী কায়দায় পরিচালিত হচ্ছে দেশ। সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন জনগণের মতামত উপেক্ষা করে একতরফা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। গত ২০১৪ ও ২০১৮ সালের  জাতীয় নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। এবারও একই কায়দায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পায়ঁতারা করছে সরকার। বক্তারা বলেন, দেশ স্বাধীনের পর এগারোটি জাতীয় নির্বাচনে সাতটি দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার কোনোটাই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। অন্যদিকে চারটি নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয় যা অপেক্ষাকৃত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়।সংবিধানের কথা বলে সরকার নির্বাচনের কথা বললেও প্রতিনিয়ত সংবিধানকে অবজ্ঞা করে চলেছে। গুম,খুন,বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ডের ঘটনায় মানবিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। বিরোধী দল ও মতামতকে দমন করার জন্য সাইবার সিকিউরিটি আইন বানানো হয়েছে। এভাবে গায়ের জোরে এককভাবে নির্বাচনের পথে হেঁটে সরকার দেশে নির্বানের জন্য গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধ্বংস করেছে। একতরফা এই তফসিল নির্বাচনের পরিবর্তে দেশে সংঘাত সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করছে।  ফলে তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন ছাড়া যতই তফসিল ঘোষণা হোক না কেন তা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।
বক্তারা আরো বলেন, একদিকে নির্বাচন নিয়ে জনগণের মনে আতঙ্ক অন্যদিকে  বাজার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে  দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতিতে  জনগণ দিশেহারা। জনগণকে জিম্মি করে অবাধ লুটপাটের স্বর্গরাজ্য কায়েম করেছে সরকার। মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করে সভা – সমাবেশে সরকারের পেটোয়া বাহিনী হামলা – নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে।”
 বক্তারা আরও বলেন এই পরিস্থিতিতে সরকারের একগুয়েঁমি পরিহার করে অবিলম্বে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে জনগণের ঐক্যবদ্ধ লড়াই সময়ের প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ১৭/১২/২৩ সরকার প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও জনগনের ভোট ডাকাতির পাঁয়তারা করছে- বাম গণতান্ত্রিক জোট, চট্টগ্রাম জেলা 

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১৭/১২/২৩
সরকার প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও জনগনের ভোট ডাকাতির পাঁয়তারা করছে-
বাম গণতান্ত্রিক জোট, চট্টগ্রাম জেলা
বাম গণতান্ত্রিক জোট, চট্টগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে অবৈধ ও একতরফা নির্বাচন বাতিল, তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচনের  দাবিতে বিকেল ৪টায় নগরীর সিনেমা প্যালস  চত্বরে সমাবেশ  অনুষ্ঠিত হয়।
বাম গণতান্ত্রিক জোট চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়ক ও বাসদ চট্টগ্রাম জেলা ইনচার্জ আল কাদেরী জয়ের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি অশোক সাহা, বাসদ(মার্কসবাদী)  চট্টগ্রাম জেলার সদস্য সচিব শফিউদ্দিন কবির আবিদ, সিপিবি চট্টগ্রাম  দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক সওকত হোসেন । সমাবেশ পরিচালনা করেন বাসদ চট্টগ্রাম জেলা সদস্য আহমদ জসীম ।  সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড মৃণাল চৌধুরী, সিপিবি চট্টগ্রাম জেলার সহকারী সাধারণ সম্পাদক  নুরচ্ছফা ভূঁইয়া।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, চরম ফ্যাসিবাদী কায়দায় পরিচালিত হচ্ছে দেশ। সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন জনগণের মতামত উপেক্ষা করে একতরফা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। গত ২০১৪ ও ২০১৮ সালের  জাতীয় নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। এবারও একই কায়দায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পায়ঁতারা করছে সরকার। বক্তারা বলেন, দেশ স্বাধীনের পর এগারোটি জাতীয় নির্বাচনে সাতটি দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার কোনোটাই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। অন্যদিকে চারটি নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয় যা অপেক্ষাকৃত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়।সংবিধানের কথা বলে সরকার নির্বাচনের কথা বললেও প্রতিনিয়ত সংবিধানকে অবজ্ঞা করে চলেছে। গুম,খুন,বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ডের ঘটনায় মানবিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। বিরোধী দল ও মতামতকে দমন করার জন্য সাইবার সিকিউরিটি আইন বানানো হয়েছে। এভাবে গায়ের জোরে এককভাবে নির্বাচনের পথে হেঁটে সরকার দেশে নির্বানের জন্য গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধ্বংস করেছে। একতরফা এই তফসিল নির্বাচনের পরিবর্তে দেশে সংঘাত সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করছে।  ফলে তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন ছাড়া যতই তফসিল ঘোষণা হোক না কেন তা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।
বক্তারা আরো বলেন, একদিকে নির্বাচন নিয়ে জনগণের মনে আতঙ্ক অন্যদিকে  বাজার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে  দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতিতে  জনগণ দিশেহারা। জনগণকে জিম্মি করে অবাধ লুটপাটের স্বর্গরাজ্য কায়েম করেছে সরকার। মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করে সভা – সমাবেশে সরকারের পেটোয়া বাহিনী হামলা – নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে।”
 বক্তারা আরও বলেন এই পরিস্থিতিতে সরকারের একগুয়েঁমি পরিহার করে অবিলম্বে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে জনগণের ঐক্যবদ্ধ লড়াই সময়ের প্রয়োজন।